হোম > বিশ্ব > যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা

মধ্যপ্রাচ্যে আরও ১০ হাজার সেনা পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

ফাইল ছবি

মধ্যপ্রাচ্যে বাড়তি আরও ১০ হাজার স্থল সেনা পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন এবং মার্কিন যুদ্ধ মন্ত্রণালয় তথা প্রতিরক্ষা বিভাগ পেন্টাগন। এই বিষয়টি এমন এক সময়ে সামনে এল, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের সঙ্গে আলোচনার কথা বলছেন এবং দেশটির বিদ্যুৎ স্থাপনায় হামলা স্থগিতাদেশের মেয়াদ আরও ১০ দিন বাড়িয়েছেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের খবরে বলা হয়েছে, হোয়াইট হাউস ও পেন্টাগন আগামী কয়েক দিনের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্যে আরও অন্তত ১০ হাজার অতিরিক্ত যুদ্ধক্ষম সেনা পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে বলে এক জ্যেষ্ঠ মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা জানিয়েছেন। ট্রাম্প প্রশাসন যদি অতিরিক্ত সেনা পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেয়, তবে অঞ্চলটিতে যুক্তরাষ্ট্রের যুদ্ধরত সেনার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যাবে। একই সঙ্গে এটি ইরানে সম্ভাব্য মার্কিন স্থল অভিযানের প্রস্তুতি গুরুতরভাবে চলছে, এমন আরেকটি ইঙ্গিত।

এই বিপুলসংখ্যক স্থলসেনা পাঠানোর বিষয়টি এমন সময় বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে, যখন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলছেন যুদ্ধ শেষ করতে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের সঙ্গে একটি চুক্তি নিয়ে আলোচনা করছে। তবে ইরানি কর্মকর্তারা এখনো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বসতে রাজি হননি এবং তারা সন্দেহ করছেন, ওয়াশিংটনের কূটনৈতিক উদ্যোগটি আরেকটি কৌশলী ফাঁদ হতে পারে।

ওই মার্কিন প্রতিরক্ষা কর্মকর্তা আশা করছেন, আগামী সপ্তাহেই এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তিনি বলেন, ইতিমধ্যে যেসব বাহিনী অঞ্চলটিতে পাঠানো হয়েছে, তাদের থেকে ভিন্ন যুদ্ধ ইউনিট থেকে নতুন সেনারা আসবে।

দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল প্রথম জানিয়েছিল, ট্রাম্প প্রশাসন অতিরিক্ত সেনা পাঠানোর বিষয়টি বিবেচনা করছে। পেন্টাগন ইরানে একটি ‘চূড়ান্ত আঘাত’ হানার সামরিক বিকল্প প্রস্তুত করছে, যার মধ্যে স্থলবাহিনীর ব্যবহার এবং ব্যাপক বোমা হামলার পরিকল্পনাও থাকতে পারে বলে অ্যাক্সিওস জানিয়েছে।

ট্রাম্প এখনো এসব সম্ভাব্য পদক্ষেপের কোনো একটিতে এগোনোর সিদ্ধান্ত নেননি। তবে সূত্রগুলো বলছে, ইরানের সঙ্গে আলোচনায় দ্রুত বাস্তব অগ্রগতি না হলে তিনি পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করতে প্রস্তুত। আগামী দিন ও সপ্তাহগুলোতে আরও শক্তিবৃদ্ধি আসার কথা রয়েছে। এর মধ্যে কয়েকটি যুদ্ধবিমান স্কোয়াড্রন এবং হাজার হাজার সেনা মধ্যপ্রাচ্যে পৌঁছাবে।

একটি মেরিন অভিযাত্রী ইউনিট এই সপ্তাহেই পৌঁছাবে এবং আরেকটি ইতিমধ্যে মোতায়েনের পথে রয়েছে। এ ছাড়া ৮২তম এয়ারবোর্ন ডিভিশনের কমান্ড ইউনিটকে কয়েক হাজার সেনাসমৃদ্ধ একটি পদাতিক ব্রিগেডসহ মধ্যপ্রাচ্যে মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

স্থল সৈন্যের প্রয়োজন নেই, কয়েক সপ্তাহেই শেষ হবে ইরান যুদ্ধ: রুবিও

ইউক্রেনের জন্য বরাদ্দ অস্ত্র যেতে পারে ইরান যুদ্ধে

সমঝোতার জন্য ট্রাম্পের দৌড়ঝাঁপ

এফবিআই পরিচালকের ব্যক্তিগত ই-মেইল এখন ইরানি হ্যাকারদের দখলে

পেন্টাগনে বেড়েছে পিৎজা ডেলিভারি, তবে কি ইরানে মার্কিন স্থল হামলা আসন্ন

যুক্তরাষ্ট্রে ফিরছে প্রাণঘাতী ‘হোয়াইট প্লেগ’

এবার নিজের স্বাক্ষরসংবলিত ডলার আনছেন ট্রাম্প

ইরানে ‘চূড়ান্ত আঘাতের’ ৪ উপায় খতিয়ে দেখছে যুক্তরাষ্ট্র, সেগুলো কী

ইরানের বিদ্যুৎ স্থাপনায় মার্কিন হামলা স্থগিতাদেশের সময়সীমা ১০ দিন বাড়ালেন ট্রাম্প

ইরান ১০টি তেলের ট্যাংকার উপহার দিয়েছে: ট্রাম্প