হোম > বিশ্ব > যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা

এপস্টিনের সঙ্গিনী জিলেইন ম্যাক্সওয়েলের আপিল খারিজ

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

জেফরি এপস্টিনের সঙ্গে জিলেইন ম্যাক্সওয়েল। ফাইল ছবি: নিউইয়র্ক টাইমস

মার্কিন সুপ্রিম কোর্ট সোমবার (৬ অক্টোবর) জেফরি এপস্টিনের সাবেক সঙ্গিনী জিলেইন ম্যাক্সওয়েলের দায়ের করা আপিল খারিজ করেছে। ম্যাক্সওয়েল দাবি করেছিলেন, এপস্টিনের সঙ্গে করা এক পুরোনো চুক্তির আওতায় তাঁকেও যেন মামলা থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। তবে আদালত সেই যুক্তি গ্রহণ করেনি।

জিলেইন ২০২২ সালে ২০ বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন এবং বর্তমানে তিনি টেক্সাসের একটি কারাগারে রয়েছেন। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ—বহু বছর ধরে তিনি এপস্টিনের সঙ্গে যৌথভাবে অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের প্রলুব্ধ করা, যৌনতার জন্য প্রস্তুত করা এবং যৌন নির্যাতনের শিকার বানানোর পরিকল্পনায় যুক্ত ছিলেন।

গত এপ্রিলে দায়ের করা আপিলে ম্যাক্সওয়েল দাবি করেন, ২০০৮ সালে ফ্লোরিডার প্রসিকিউটর অফিসের সঙ্গে এপস্টিনের করা ‘নন-প্রসিকিউশন’ চুক্তির আওতায় তাঁরও রেহাই পাওয়ার অধিকার রয়েছে।

২০০৮ সালের ওই চুক্তি অনুযায়ী—যেহেতু এপস্টিন ফ্লোরিডায় অপ্রাপ্তবয়স্ক মেয়েদের পতিতাবৃত্তিতে জড়ানোর অভিযোগে রাষ্ট্রীয় মামলায় দোষ স্বীকার করেন, সেহেতু ফেডারেল পর্যায়ে তাঁর বিরুদ্ধে নতুন কোনো মামলা হবে না।

কিন্তু ওই চুক্তিতে শুধু এপস্টিনই ছিলেন তাঁর পক্ষে। চুক্তিতে তাঁর সহযোগীদের জন্য কোনো আইনি সুরক্ষার প্রসঙ্গ ছিল না। সেই কারণেই পরবর্তীতে নিউইয়র্কের প্রসিকিউটরেরা ম্যাক্সওয়েলের বিরুদ্ধে নতুন ফেডারেল মামলা করার সুযোগ পেয়েছিলেন।

আপিল খারিজের পর ম্যাক্সওয়েলের আইনজীবী ডেভিড অস্কার মার্কাস আদালতের সিদ্ধান্তে হতাশা প্রকাশ করে বলেন, ‘আমরা গভীরভাবে হতাশ। তবে লড়াই এখানেই শেষ নয়। এখনো গুরুতর আইনগত প্রশ্ন রয়ে গেছে এবং আমরা ন্যায়বিচারের জন্য সব পথেই লড়ব।’

এর আগে নিউইয়র্কভিত্তিক আপিল আদালত রায় দিয়েছিলেন—নিউইয়র্কের প্রসিকিউটরেরা ফ্লোরিডার সেই চুক্তি মানতে বাধ্য নন।

জেফরি এপস্টিন ২০০৮ সালে পতিতাবৃত্তি সংক্রান্ত অভিযোগে দোষ স্বীকার করেন। পরে ২০১৯ সালে যৌন পাচারের ফেডারেল মামলায় অভিযুক্ত হওয়ার পর জেলে আত্মহত্যা করেন।

গত মাসে মার্কিন কংগ্রেসের ওভারসাইট কমিটি এপস্টিনের মামলার নথিপত্রের হাজার হাজার পৃষ্ঠা প্রকাশ করে। এসব নথিতে ট্রাম্পের নামে লেখা একটি চিঠিও ছিল—যা এপস্টিনের ৫০ তম জন্মদিনে পাঠানো হয়েছিল বলে দাবি করা হয়। ট্রাম্প অবশ্য সেই চিঠি লেখার বিষয়টি অস্বীকার করেছেন।

ইরানে স্থলবাহিনী মোতায়েনের সম্ভাবনা নাকচ করেননি মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী

ইরানকে ঐশ্বরিক মৃত্যু উপহার দিয়েছে আমেরিকা ও ইসরায়েল: হেগসেথ

ইরানে হামলা ক্ষমতার পরিবর্তনের জন্য নয়: মার্কিন প্রতিরক্ষামন্ত্রী হেগসেথ

ইতিহাস গড়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের বৈঠকে সভাপতিত্ব করতে যাচ্ছেন ট্রাম্পের স্ত্রী

মার্কিন বাহিনীতে আক্রমণের কোনো পরিকল্পনা ছিল না ইরানের: কংগ্রেসকে পেন্টাগন

খামেনিকে হত্যা করতে পারলেও ইরানকে ‘ঠিক’ করতে পারবে না যুক্তরাষ্ট্র: মার্কিন সিনেটর

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে আরও মার্কিন সেনার প্রাণহানি ঘটতে পারে—বলছেন ট্রাম্প

ইরানের নতুন নেতৃত্ব আলোচনা চায়, আমি রাজি: ট্রাম্প

ইরানে অভিযান শুরুর পর ৩ মার্কিন সেনা নিহত, আহত ৫

ওমান উপসাগরে ইরানের যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার দাবি যুক্তরাষ্ট্রের