হোম > বিশ্ব > যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডা

শুক্রবারের মধ্যে ‘সুখবর’ আসতে পারে—ট্রাম্পের ইঙ্গিত

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: এএফপি

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে দ্বিতীয় দফার শান্তি আলোচনা নিয়ে আগামী শুক্রবারের মধ্যেই একটি ‘সুখবর’ আসতে পারে। আজ বুধবার নিউইয়র্ক পোস্টকে দেওয়া এক টেক্সট বার্তায় খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ইসলামাবাদের উচ্চপদস্থ সূত্রগুলো এই ইঙ্গিত দিয়েছে।

ইসলামাবাদের সূত্রগুলো তেহরানের সঙ্গে তাদের মধ্যস্থতা প্রচেষ্টাকে ‘ইতিবাচক’ হিসেবে বর্ণনা করেছে। তাদের মতে, আগামী ৩৬ থেকে ৭২ ঘণ্টার মধ্যে নতুন করে শান্তি আলোচনার সম্ভাবনা জোরালো হচ্ছে। এই অগ্রগতির বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে ট্রাম্প এক টেক্সট বার্তায় লেখেন, ‘এটি সম্ভব! প্রেসিডেন্ট ডি জে টি।’

এর আগে গতকাল ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন, ইরানের বিভক্ত নেতৃত্ব যতক্ষণ না একটি ‘একীভূত প্রস্তাব’ নিয়ে হাজির হচ্ছে, ততক্ষণ পর্যন্ত তিনি যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়াবেন। ট্রাম্প তাঁর ট্রুথ সোশ্যাল পোস্টে উল্লেখ করেন, ‘আমি আমাদের বাহিনীকে অবরোধ অব্যাহত রাখার এবং যুদ্ধের জন্য থাকার নির্দেশ দিয়েছি। তাদের প্রস্তাব জমা না দেওয়া এবং আলোচনা একটি উপসংহারে না পৌঁছানো পর্যন্ত যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকবে।’

ইসলামাবাদের একটি সূত্র জানিয়েছে, পাকিস্তান নিরবচ্ছিন্নভাবে ইরানের সঙ্গে কূটনৈতিক যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে। সূত্রটির দাবি, উত্তেজনাপূর্ণ বক্তব্য সত্ত্বেও যুদ্ধবিরতি এখন পর্যন্ত কার্যকর আছে, এতে দুই পক্ষেরই ইতিবাচক অভিপ্রায় প্রকাশ পায়। কোনো পক্ষ থেকেই সামরিক তৎপরতা বাড়ানো হয়নি।

প্রসঙ্গত, প্রথম দফার আলোচনায় ব্যর্থ হলেও পাকিস্তান এখনো এই সংকটে প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে কাজ করছে।

তবে আলোচনায় মূল বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে ইরানের অভ্যন্তরীণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের জটিল প্রক্রিয়া। পাকিস্তানের পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ঘনিষ্ঠ একজন কৌশলগত বিশ্লেষক জানান, আমেরিকার স্পষ্ট অবস্থান হলো, তেহরানকে একটি একক ও ঐক্যবদ্ধ প্রস্তাব নিয়ে আসতে হবে। ইরানের বর্তমান শাসনকাঠামোতে ক্ষমতা নির্বাচিত সরকার, গার্ডিয়ান কাউন্সিল, সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি স্ট্রাকচার এবং ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পসের (আইআরজিসি) মধ্যে বিভক্ত থাকায় একটি সর্বসম্মত অবস্থানে পৌঁছানো কঠিন হয়ে পড়েছে।

তবে পাকিস্তান এই বিলম্বকে কূটনৈতিক ব্যর্থতা হিসেবে দেখছে না। তারা মনে করে, সময় নিয়ে একটি সংহত ইরানি অবস্থান নিশ্চিত করা গেলে ভবিষ্যতে যেকোনো চুক্তির স্থায়িত্ব বাড়বে। তবে কোনো চুক্তি বা আলোচনার টেবিল চূড়ান্ত না হওয়া পর্যন্ত ট্রাম্প সামরিক বিকল্পগুলোও বিবেচনাধীন রেখেছেন এবং হরমুজ প্রণালিতে নৌ অবরোধ বহাল রেখেছেন।

সব মিলিয়ে আগামী শুক্রবারই হতে পারে এই স্নায়ুযুদ্ধের মোড় ঘোরানোর দিন।

পাত্তা পেল না ভারতের উদ্বেগ, হরমুজে ‘অবরোধ ভঙ্গের চেষ্টা সহ্য করবে না’ যুক্তরাষ্ট্র

রোববারই যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি সই হবে: ট্রাম্প

৩০টির বেশি দেশে ১২০টি বিপজ্জনক জৈব গবেষণাগারে অর্থায়ন করেছে যুক্তরাষ্ট্র: তুলসী গ্যাবার্ড

যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাসে বন্দুকধারীর এলোপাতাড়ি গুলিতে নিহত ১, আহত ১১

ইরানে মার্কিন–ইসরায়েলি হামলার সমালোচক ত্রিতা পারসির বিরুদ্ধে তদন্ত, বহিষ্কারের চিন্তা যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানিদের যুক্তরাষ্ট্রে রাখবেন না ট্রাম্প, পাঠাবেন আফ্রিকায়

পেন্টাগনে বিপজ্জনক রাসায়নিক আতঙ্কে লকডাউন, পরে জানা গেল ‘ভুল সতর্কবার্তা’

ভেনেজুয়েলা স্টাইলে ইরানের খারগ দ্বীপ ও তেল অবকাঠামো দখলের হুমকি ট্রাম্পের

‘চীনের হয়ে তথ্য সংগ্রহে’ মার্কিনিদের নিয়োগের চেষ্টা, ১২টির বেশি ওয়েবসাইট জব্দ

বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের তথ্য দিয়ে ব্ল্যাকমেলের চেষ্টা করেছিলেন এপস্টেইন, জানালেন বিল গেটস