হোম > বিশ্ব > মধ্যপ্রাচ্য

মধ্যপ্রাচ্যে ঈদুল ফিতরের সম্ভাব্য তারিখ জানালেন জ্যোতির্বিদেরা

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

ঈদের নামাজ শেষে আলিঙ্গন করছে দুই শিশু। ছবি: আজকের পত্রিকা

পবিত্র মাস রমজান শুরু হতে পারে আগামী বছরের ১৯ ফেব্রুয়ারি। এবার রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। সে হিসাবে মুসলমানদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর অনুষ্ঠিত হবে ২০ মার্চ। এমিরেটস অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটির বরাত দিয়ে এমনটিই জানিয়েছে গালফ নিউজ।

জ্যোতির্বিদদের পূর্বাভাস অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে ২০২৬ সালের ঈদুল ফিতর আগামী ২০ মার্চ, শুক্রবার অনুষ্ঠিত হতে পারে। আমিরাত জ্যোতির্বিদ্যা সমিতির (এমিরেটস অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল সোসাইটি) চেয়ারম্যান ইব্রাহিম আল জারওয়ান এই পূর্বাভাস দিয়েছেন।

আল জারওয়ান জানিয়েছেন, ১৪৪৭ হিজরি সালের রমজান মাস শুরু হওয়ার চাঁদ ২০২৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি, মঙ্গলবার দেখা যেতে পারে। তবে ওই সন্ধ্যায় চাঁদ দেখার পরিস্থিতি কিছুটা চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। এই হিসাব অনুযায়ী, রমজান মাস সম্ভবত ১৯ ফেব্রুয়ারি, বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হবে এবং ৩০ দিন স্থায়ী হতে পারে।

যদি জ্যোতির্বিজ্ঞানের গণনা অনুযায়ী রমজান মাস পূর্ণ ৩০ দিন স্থায়ী হয়, তবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের অনুমোদিত ছুটির ক্যালেন্ডার অনুযায়ী সেখানকার বাসিন্দারা একটি দীর্ঘ ছুটি পেতে পারেন। সে ক্ষেত্রে ১৯ মার্চ বৃহস্পতিবার থেকে ২২ মার্চ রোববার পর্যন্ত মোট চার দিনের সাপ্তাহিক ছুটি পাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এবং অফিশিয়াল কার্যক্রম শুরু হবে পরের সোমবার।

যদিও জ্যোতির্বিজ্ঞানের হিসাব উল্লিখিত তারিখ নির্দেশ করছে, তবে ইসলামি ক্যালেন্ডারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এই উৎসবের চূড়ান্ত নিশ্চিতকরণ সংশ্লিষ্ট দেশের চাঁদ দেখা কমিটি নিকটবর্তী সময়ে পর্যবেক্ষণ সাপেক্ষে নির্ধারণ করে।

ভুলবশত ৩টি এফ-১৫ যুদ্ধবিমান ভূপাতিত করেছে কুয়েত: মার্কিন কেন্দ্রীয় কমান্ড

মার্কিন–ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত ইরানের ১৩১ শহর, নিহত অন্তত ৫৫৫

কুয়েতে বেশ কয়েকটি মার্কিন যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত

ট্রাম্পের দাবি উড়িয়ে ইরান বলল, আলোচনা হবে না

জীবিত আছেন আহমেদিনেজাদ, দাবি উপদেষ্টার

কুয়েতে বহু মূল্যবান মার্কিন এফ-১৫ যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত

ইরানের সঙ্গে উত্তেজনা না বাড়াতে উপসাগরীয় মিত্রদের সৌদির ‘গোপন বার্তা’

‘যুদ্ধের চেয়ে আত্মসমর্পণকেই বেশি ভয় পায়’ ইরান

যুদ্ধ গড়াল তৃতীয় দিনে, একনজরে সর্বশেষ

যুদ্ধে জড়াল হিজবুল্লাহ, কিন্তু এখন কেন