সিয়াম সাধনার পবিত্র রমজান মাস শেষ হাওয়ার আর মাত্র কয়েক দিন বাকি। চাঁদ দেখা সাপেক্ষে ২০ মার্চ, শুক্রবার অথবা পরদিন শনিবার বাংলাদেশে উদ্যাপিত হবে ঈদুল ফিতর। বাংলা বর্ষপঞ্জিতে ৬ কিংবা ৭ চৈত্র হতে পারে ঈদ। চৈত্র মাসটি পুরোপুরি ঝড়বৃষ্টির মৌসুম। সঙ্গে বয়ে যায় তাপপ্রবাহ। প্রকৃতি বেশি উষ্ণ-বিক্ষুব্ধ হলে এই সময়ে কখনো কখনো কালবৈশাখী দেখায় তাণ্ডব। আবার শিলাবৃষ্টিও ঝরে।
প্রকৃতির অস্থির এই সময়ে ঈদ-আনন্দ উপভোগে বহু মানুষ ছুটে যাচ্ছেন আপন ঠিকানায়। রাজধানী ঢাকা থেকেই ঘরমুখী মানুষের সংখ্যা প্রায় দেড় কোটি। ঈদযাত্রায় এবং ঈদের দিন তাঁদের দুশ্চিন্তার কারণ হতে পারে বৈরী প্রকৃতি। তবে বৃষ্টি হলে গরম কমে স্বস্তিও মিলতে পারে।
আজ মঙ্গলবার সকালে আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসে এমন তথ্যই মিলেছে। আগামী পাঁচ দিনের এই পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ২০ মার্চ রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি কিংবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ওই দিন সারা দেশে দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে। তবে রাতের বেলা তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, ২১ মার্চও রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া ও বিদ্যুৎ চমকানোসহ বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেই সঙ্গে কোথাও কোথাও বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সারা দেশে দিন এবং রাতের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে।
ঈদের আগের দিনগুলোতেও ১৭ থেকে ১৯ মার্চ দেশের প্রায় সব বিভাগেই ঝড়-বজ্রবৃষ্টি ও শিলাবৃষ্টি হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।