একটি বিড়াল আর দুটি একাকী মানুষের গল্প নিয়ে তৈরি হয়েছে ওয়েব ফিল্ম ‘লাভ সিটার’। যৌথভাবে পরিচালনা করেছেন অমিতাভ রেজা চৌধুরী ও মুশফিকা মাসুদ। চিত্রনাট্যও লিখেছেন এই দম্পতি। এতে প্রথমবার একসঙ্গে অভিনয় করেছেন জিয়াউল হক পলাশ ও সাদিয়া আয়মান। তাঁদের সঙ্গে আছে একটি বিড়াল, লাভ সিটারের গল্পে যার আছে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
ওয়েব ফিল্মটি নিয়ে নির্মাতা মুশফিকা মাসুদ বলেন, ‘এই শহরে প্রতিদিন অসংখ্য প্রাণী অসহায়ভাবে ঘুরে বেড়ায়—একটু মায়া, একটু আশ্রয়ের আশায়। অথচ আমরা প্রায়ই ভুলে যাই, যাকে আমরা পোষা প্রাণী বলে ভাবি, তার পুরো জীবনটাই জুড়ে থাকে সেই মানুষের সঙ্গে, যে তাকে আশ্রয় দিয়েছে। মানুষের জীবনে পোষা প্রাণী হয়তো একটি ছোট্ট অংশ, কিন্তু সেই প্রাণীর কাছে মানুষটিই তার পুরো পৃথিবী। এই ভাবনা থেকেই লাভ সিটারের গল্প বলতে চেয়েছি।’
মুশফিকা আরও বলেন, ‘বড় শহরের ব্যস্ততা আর নিঃসঙ্গতার মাঝখানে কখনো কখনো অদ্ভুত কিছু সম্পর্ক তৈরি হয়—যেগুলো খুব সাধারণ, কিন্তু গভীরভাবে মানবিক। আবির, হৃদি ও একটি ছোট বিড়াল হিপনোসিস—এই তিন চরিত্রের মধ্য দিয়ে আমরা সেই মায়া, দায়িত্ব এবং অসম্পূর্ণ ভালোবাসার গল্পটিই খুঁজে দেখার চেষ্টা করেছি।’
ঈদের তৃতীয় দিন ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বঙ্গতে মুক্তি পাবে লাভ সিটার। ওয়েব ফিল্মটি নিয়ে নির্মাতা অমিতাভ রেজা চৌধুরী বলেন, ‘আমার কাছে এই ওয়েব ফিল্মটি শুধু একটি সম্পর্কের গল্প নয়, বরং সহমর্মিতার একটি ছোট্ট স্মরণ। হয়তো আমরা সব প্রাণীকে আশ্রয় দিতে পারি না, কিন্তু একটু মায়া, একটু যত্ন—কখনো কখনো সেটুকুই তাদের পৃথিবী বদলে দিতে পারে।’
চলতি মাসের শুরুতে মুক্তি পেয়েছে সাদিয়া আয়মান অভিনীত ওয়েব ফিল্ম ‘মিউ’। সেই ওয়েব ফিল্মের গল্পের কেন্দ্রে ছিল মিউ নামের এক বিড়াল। লাভ সিটারের গল্পেও আছে একটি বিড়াল। তবে অভিনেত্রী জানান, বিড়াল থাকলেও দুই ওয়েব ফিল্মের গল্পে কোনো মিল নেই। সাদিয়ার মতে, মিউয়ের গল্পে মনস্তাত্ত্বিক জায়গা ছিল, আর লাভ সিটার প্রেমের গল্প।