হোম > শিক্ষা > ক্যাম্পাস

চুয়েটে নামফলক বসানো হোক

মো. গোলাম রব্বানী

দেশের চার প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)। এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে প্রায় সাড়ে পাঁচ হাজার শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছেন। ২০২১ সালের নভেম্বরে পুরোনো ফটক ভেঙে নতুন ফটকের নির্মাণকাজ শুরু হয়। মূল কাঠামো নির্মাণ শেষ হলেও গত আড়াই বছরে এর পুরো কাজ শেষ হয়নি। ফটক-সংলগ্ন সড়কের কার্পেটিং সম্পন্ন হয়নি এবং বসেনি প্রতিষ্ঠানটির নামফলক।

নামফলকের অনুপস্থিতি যেন চাঁদের কলঙ্কের মতো, যা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য অস্বস্তিকর। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের চমৎকার আলোকোজ্জ্বল নামফলকের সঙ্গে নামফলকহীন চুয়েট হীনম্মন্যতার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে শিক্ষার্থীদের। শুধু তা-ই নয়, নামফলক না থাকায় বিভ্রান্তিতে পড়েন বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন আসা অনেকে। সম্প্রতি প্রকৌশল গুচ্ছে স্নাতক প্রথম বর্ষের ভর্তি সম্পন্ন হয়েছে। সন্তানদের ভর্তি করিয়ে দিতে আসা অনেক সচেতন অভিভাবক চুয়েটের প্রধান ফটকে নামফলকের অনুপস্থিতি বিষয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিষয়গুলো নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করতে দেখা গেছে বিশ্ববিদ্যালয়-সংশ্লিষ্ট অনেককে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিকল্পনা ও উন্নয়ন দপ্তর জানিয়েছে, নামফলক বসানোর দায়িত্ব রয়েছে প্রকৌশল দপ্তরের ওপর। উল্টো দিকে প্রকৌশল দপ্তর বাজেট কম থাকার বিষয়টি কাজের গতি ধীর হওয়ার কারণ বলে জানিয়েছে। কবে নাগাদ কাজ শেষ হবে, সে বিষয়েও কিছু জানাতে পারেনি প্রকৌশল দপ্তর।
এদিকে শিক্ষার্থীরা দাবি জানিয়েছেন, দ্রুত প্রধান ফটকে নামফলক বসানো হোক।

লেখক: তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের শিক্ষার্থী, চুয়েট

আর পি সাহা বিশ্ববিদ্যালয়ে রিসার্চ ক্লাবের যাত্রা শুরু

উচ্চতর গবেষণার পরিবেশ গড়ে তুলেছে ইউজিসি

জার্মানির হফ বিশ্ববিদ্যালয়ে বুটেক্সের তিন শিক্ষার্থীর থিসিস করার সুযোগ

আনন্দ আয়োজন ও স্মৃতিময় সন্ধ্যা

বেরোবির তিন শিক্ষার্থী বানাচ্ছেন বেদে ডকুমেন্টারি

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হলেন ঢাবির সেই ভিপি প্রার্থী

প্রথম হয়েও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারছিল না মুনায়েম, পাশে দাঁড়াল ছাত্রদল

জাবিতে পোষ্য কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি

জবিতে দ্বিতীয় পর্যায়ের ভর্তি শুরু হবে ২৬ ফেব্রুয়ারি

আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করলেন ঢাবি উপাচার্য