হোম > অর্থনীতি > বিশ্ববাণিজ্য

বিরল খনিজের দাম কমেছে ৮০ শতাংশেরও বেশি

আজকের পত্রিকা ডেস্ক­

ছবি: সংগৃহীত

বৈদ্যুতিক গাড়ি তৈরিসহ বিভিন্ন বৈদ্যুতিক পণ্য নির্মাণের গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল বিরল খনিজের দাম কমেছে ৮০ শতাংশেরও বেশি। আন্তর্জাতিক শক্তি সংস্থা আইইএ-এর সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এ তথ্য। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৈদ্যুতিক গাড়ি তৈরিতে ব্যবহৃত গুরুত্বপূর্ণ কাঁচামাল যেমন—কোবাল্ট, লিথিয়াম ও গ্রাফাইটের চাহিদা বিশ্বব্যাপী ব্যাপক হারে বাড়লেও এর দাম কমছে। কারণ হিসেবে বলা হচ্ছে, এসব উপাদানের উৎপাদন উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি। বিশেষ করে চীন, ইন্দোনেশিয়া ও ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গোতে উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে।

আইইএ—এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২১-২২ সালে লিথিয়ামের দাম আট গুণ বেড়েছিল। কিন্তু ২০২৩ সালের পর ৮০ শতাংশের বেশি কমেছে এই খনিজের দাম। একইভাবে গ্রাফাইট, কোবাল্ট ও নিকেলের দামও হ্রাস পাচ্ছে। আইইএ জানিয়েছে, বর্তমানে বৈদ্যুতিক গাড়ির কাঁচামালের বাজারে নিজেদের আধিপত্য আরও সুসংহত করছে চীন, ইন্দোনেশিয়া এবং কঙ্গো। কোবাল্টের বাজারে একক আধিপত্য কঙ্গোর আর নিকেলের বাজার একপ্রকার ইন্দোনেশিয়ারই নিয়ন্ত্রণে এবং চীন সরবরাহ করছে গ্রাফাইট ও বিরল খনিজ। তবে লিথিয়ামের ক্ষেত্রে আর্জেন্টিনা ও জিম্বাবুয়ের মতো নতুন উৎপাদনকারী দেশও উঠে আসছে।

আইইএ-এর তথ্যমতে, ‘২০২০ সালে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি খনিজের বাজারের ৭৩ শতাংশই নিয়ন্ত্রণে ছিল চীন, ইন্দোনেশিয়া এবং কঙ্গোর, ২০২৪ সালে এই বাজারে দেশ তিনটির নিয়ন্ত্রণ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৭ শতাংশ।’ সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, এতটা নির্ভরতা বিপদ ডেকে আনতে পারে। যদি কোনো একটি দেশের উৎপাদন থেমে যায়—প্রাকৃতিক দুর্যোগ, যন্ত্রের সমস্যা বা বাণিজ্য সংকটের কারণে—তাহলে অর্ধেক চাহিদাই পূরণ করা কঠিন হয়ে যাবে। এর প্রভাব ইলেকট্রিক গাড়ির ব্যাটারির দামে ভয়াবহ রকমের প্রভাব ফেলতে পারে।

চীন কেবল কাঁচামাল উত্তোলন ও প্রক্রিয়াজাতকরণেই নয়, পুনর্ব্যবহার ক্ষেত্রেও শীর্ষস্থানীয়। ২০২০ সাল থেকে ব্যাটারি পুনর্ব্যবহারে বিশ্বব্যাপী যে বৃদ্ধি ঘটেছে, তার দুই-তৃতীয়াংশই চীনে হয়েছে।

অন্যদিকে পরিবেশ সুরক্ষা সংস্থা ডব্লিউডব্লিউএফ উদ্বেগ জানিয়েছে যে, খনিজ উত্তোলন সীমিত কিছু অঞ্চলে সীমাবদ্ধ থাকায় পরিবেশের ওপর মারাত্মক প্রভাব পড়ছে। সংস্থাটির খনিজ বিশেষজ্ঞ টোবিয়াস কিন্ড-রিপার বলেন, ‘কঙ্গো ও ইন্দোনেশিয়ার উৎপাদন বৃদ্ধির পেছনে প্রকৃতি ধ্বংসের প্রবণতা রয়েছে।’ বিশ্বব্যাপী চারটি খনির প্রকল্পের মধ্যে পাঁচটির একটি রয়েছে প্রাকৃতিক সংরক্ষিত এলাকায় বা তার আশপাশে, যার ফলে পরিবেশের ওপর ভয়াবহ প্রভাব পড়ছে।

ডব্লিউডব্লিউএফ বলছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের উচিত আরও সক্রিয়ভাবে এই সমস্যা মোকাবিলা করা।

পাম্প থেকে শিল্প ও বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের জ্বালানি কেনায় নিষেধাজ্ঞা ভারতের, নেপথ্যে কী

বাংলাদেশসহ ৬০ দেশের ওপর আরও ১০–১২.৫% শুল্কারোপের পাঁয়তারা যুক্তরাষ্ট্রের

আবারও উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্য, তেলের দাম বাড়ল আরও ১ শতাংশের বেশি

ভারত-ওমান বাণিজ্য চুক্তি যেভাবে হরমুজের বিকল্প পথ দেখাচ্ছে

বিশ্ববাজারে আবারও বাড়ল তেলের দাম

শান্তিচুক্তির সম্ভাবনায় আরও কমল তেলের দাম, চাঙা বিশ্ববাজার

ভারতীয় আম আমদানি নিষিদ্ধ করল জাপান, লোকসানের মুখে চাষিরা

ইরানের পাল্টা হামলার পর বেড়েছে তেলের দাম

পেঁয়াজের কেজি ১৫ রুপি, দাম বেঁধে দিল ভারত সরকার

ভারতে ৩ কোটি ব্যারেল তেল রাখবে আরব আমিরাত, অবকাঠামোতে বিনিয়োগ করবে ৫ বিলিয়ন ডলার