হোম > সারা দেশ > সিরাজগঞ্জ

কাজীপুরের চরাঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে ‘লাম্পি স্কিন ডিজিজ’, চিকিৎসা না পাওয়ার অভিযোগ

আশরাফুল আলম, কাজীপুর (সিরাজগঞ্জ) 

আক্রান্ত গরু। ছবি: সংগৃহীত

গবাদিপশুর লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়েছে সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলার প্রত্যন্ত চরাঞ্চলে। ভাইরাসজনিত এ রোগ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ায় চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন গরুর মালিক ও খামারিরা। সময়মতো চিকিৎসা না পাওয়ার কথা জানিয়েছেন তাঁরা। তবে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বললেন, এ রোগে গরু আক্রান্ত হয় না, মারাও যায় না।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, উপজেলার প্রত্যন্ত চরাঞ্চলের ছয়টি ইউনিয়ন তেকানী, চরগিরিশ, নাটুয়ারপাড়া, খাসরাজবাড়ী, নিশ্চিন্তপুর ও মনসুরনগর ইউনিয়নের গবাদিপশুর মধ্যে লাম্পি স্কিন ডিজিজের ভাইরাস ভয়াবহভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। এতে প্রতিদিনই অসংখ্য গরু আক্রান্ত হচ্ছে। চিকিৎসার অভাবে অনেক গরু মারা গেছে। এই রোগে আক্রান্ত গরুর শরীরে ফোস্কা, জ্বর, ক্ষত ও দুর্বলতা দেখা যায়। অনেক গরু খাওয়া বন্ধ করে দেয়।

উপজেলার নাটুয়ারপাড়া ইউনিয়নের পানাগাড়ি গ্রামের কৃষক মাজম ফকির জানান, তাঁর একটি গাভি, আকালিয়ার একটি ষাঁড়, আনোয়ার মিয়া ও আকতার মণ্ডলের একটি করে বলদ এই রোগে আক্রান্ত হয়ে এরই মধ্যে মারা গেছে। আর আক্রান্ত হয়েছে তেকানী ইউনিয়নের পলাশ শেখের একটি, আব্দুস সালাম ও নায়েব আলীর মোট পাঁচটি গরু।

গরুর মালিক আকালিয়া বলেন, ‘আমরা চরের মানুষ। এখানে কোনো সরকারি ডাক্তার পাই না। গরুটা মারা যাওয়ায় আমি অনেক ক্ষতির মুখে পড়েছি।’

তেকানী গ্রামের পলাশ শেখ অভিযোগ করেন, ‘আমরা উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসে যোগাযোগ করেও তেমন কোনো সহায়তা পাইনি। এখন নিজেদের চেষ্টায় ওষুধ কিনে চিকিৎসা করাচ্ছি।’

নিশ্চিন্তপুর ইউনিয়নের জজিরা মধ্যবাজার এলাকার সোহেল কারী বলেন, ‘আমার একটি গরু তিন দিন ধরে খাওয়াদাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। গরুর শরীর ফুলে ফোস্কার মতো উঠেছে। চিকিৎসা মিলছে না।’

জানতে চাইলে কাজীপুর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা দিদারুল আহসান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘লাম্পি যখন ছিল, তখন কেউ খোঁজ নিল না। এ রোগে গরু আক্রান্ত হয় না, মারাও যায় না।’

চরাঞ্চলে চিকিৎসার ব্যাপারে এই কর্মকর্তা বলেন, ‘চরাঞ্চলের দুর্গম এলাকায় চিকিৎসাসেবা পৌঁছানো কঠিন। নাটুয়ারপাড়াতে আমাদের একটা চিকিৎসাকেন্দ্র রয়েছে। সেখানে প্রতি মঙ্গলবার চিকিৎসা দেওয়া হয়। সরকারিভাবে এ ভাইরাসের প্রতিষেধক দেওয়া হয় না। প্রাইভেট কোম্পানির একটি প্রতিষেধক পাওয়া যায়। সেগুলো কিনে দিতে হবে।’

শিক্ষকের বাড়ি থেকে ১২ ফুট উচ্চতার গাঁজাগাছ উদ্ধার

মেয়েদের উত্ত্যক্ত করাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত ব্যক্তি মারা গেছেন

চৌহালীতে নৌপথে চাঁদা দাবির অভিযোগে শ্রমিকদের মানববন্ধন

ট্রাকের ধাক্কায় অটোভ্যানচালক নিহত

যে পরিমাণ বকেয়া, আমার জন্য একটা কঠিন পরীক্ষা: টুকু

গোপনে জবাই করা ঘোড়ার ৪০০ কেজি মাংস জব্দ, দুজনের জেল-জরিমানা

সিরাজগঞ্জে বিএনপির ৫ নেতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা

ভোটকেন্দ্রে সন্তান প্রসব, নাম রাখা হলো ‘খালেদা জিয়া’

সিরাজগঞ্জে বিএনপির দুই পক্ষের সংঘর্ষ, আহত ৭

সিরাজগঞ্জে ফিলিং স্টেশনে হামলা, গ্যাস সরবরাহ বন্ধ