ইনস্যুরেন্স, চাকরি, ব্যবসা এমনকি মোটা অঙ্কের ঋণ পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে প্রতারণা করে প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে মাহমুদা নামের এক নারীকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে বিক্ষুব্ধ জনতা। আজ শনিবার (৭ মার্চ) দুপুরে শহরের বড় বাজারের এইচএমএম রোড এলাকা থেকে তাঁকে আটক করা হয়।
মাহমুদাকে আটকের খবর পেয়ে কোতোয়ালি থানায় ভিড় করেন প্রতারণার শিকার ভুক্তভোগীরা। এ সময় তাঁরা বিচারের দাবি জানিয়ে বিক্ষোভ করেন।
ভুক্তভোগীরা জানান, মাহমুদা দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন কৌশলে মানুষের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছিলেন। বিশেষ করে ইনস্যুরেন্সের নামে টাকা নেওয়া, চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া, মোটা অঙ্কের ঋণ পাইয়ে দেওয়াসহ নানা সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার কথা বলে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহ করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
শনিবার কয়েকজন ভুক্তভোগী তাঁকে যশোর শহরে দেখতে পেয়ে আটক করেন। পরে অন্যদের খবর দিলে তাঁরাও ঘটনাস্থলে এসে জড়ো হন। এ সময় মাহমুদার ছেলে মাহিন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ভুক্তভোগীদের ক্ষোভের মুখে পড়েন তাঁরা। মাহমুদাকে কয়েকজন মারধরও করেন।
ভুক্তভোগীরা জানান, মাহমুদা এলাকায় ‘মামলাবাজ’ হিসেবেও পরিচিত। অভিযোগ রয়েছে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে তিনি সাধারণ মানুষের কাছ থেকে টাকা হাতিয়ে নিয়ে উল্টো তাঁদের বিরুদ্ধেই মামলা করে হয়রানি করতেন।
যশোর কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফারুক আহম্মেদ বলেন, ‘প্রতারণার শিকার হওয়া ভুক্তভোগীরা মাহমুদাকে আটক করে পুলিশে দেয়। অনেক ভুক্তভোগীরা থানায় ভিড় করছেন। তাঁরা মামলা করলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’