যশোরের মনিরামপুরে ভুয়া কোম্পানির বিভিন্ন প্রসাধনী পণ্য মজুত ও বিক্রির অভিযোগে এক ব্যবসায়ীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
বৃহস্পতিবার বিকেলে র্যাব-৬ যশোরের একটি দলকে সঙ্গে নিয়ে অধিদপ্তরের যশোর কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক সেলিমুজ্জামান উপজেলার দত্তকোনা এলাকায় তরুণ কুমারের বাড়িতে অভিযান চালান।
অভিযানকালে বাড়িতে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ভেজাল ও নকল প্রসাধনী মজুত রাখার প্রমাণ পাওয়া যায়। এই অপরাধে তরুণ কুমারকে ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ আইনে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। একই সঙ্গে বিপুল পরিমাণ ভেজাল প্রসাধনী জব্দ করে ধ্বংস করা হয়।
ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক সেলিমুজ্জামান বলেন, অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে দেখা যায়, তরুণ কুমার তাঁর বাড়িতে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের প্রসাধনী, মেহেদি ও নারকেল তেল মজুত করে বাজারজাত করছিলেন। এসব পণ্যের অধিকাংশের গায়ে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের নাম উল্লেখ নেই।
সেলিমুজ্জামান আরও বলেন, জব্দ পণ্যের মধ্যে বেলি ফুল নারকেল তেল, বিভিন্ন পারফিউম এবং শাহজাদি ও কাশ্মীরি মেহেদির মোড়কে উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কোনো নাম পাওয়া যায়নি। এসব ভেজাল পণ্য ব্যবহার করলে ভোক্তাদের ত্বকের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে।
অভিযান শেষে জব্দ করা ভেজাল পণ্য ধ্বংস করা হয় এবং অভিযুক্তের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।