রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে পারিবারিক বিরোধের জেরে মোহাম্মদ (২৭) নামে এক যুবককে ছুরিকাঘাতে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। আজ সোমবার (১৫ জুন) রাত সোয়া ৮টার দিকে কামরাঙ্গীরচর ঈদগাহ মাঠসংলগ্ন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
গুরুতর আহত অবস্থায় স্বজনরা মোহাম্মদকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে রাত পৌনে ১০টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহত মোহাম্মদের বাড়ি মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলায়। তাঁর বাবার নাম মো. আলাউদ্দিন।
নিহতের বোন শারমীন আক্তার জানান, মোহাম্মদ বিবাহিত ছিলেন এবং তাঁর চার বছর বয়সী এক ছেলে সন্তান রয়েছে। তিনি কামরাঙ্গীরচর ঈদগাহ মাঠসংলগ্ন এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন। তাঁর স্ত্রী সন্তানকে নিয়ে বর্তমানে শরীয়তপুরে অবস্থান করছেন। মোহাম্মদ অনলাইনে পাঞ্জাবির ব্যবসা করতেন।
শারমীন আক্তারের দাবি, গত শুক্রবার মোহাম্মদকে এক নারীর সঙ্গে দেখতে পান তাঁর স্ত্রীর বড় বোন সোনিয়া। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শ্বশুরবাড়ির সদস্যদের সঙ্গে তাঁর বিরোধের সৃষ্টি হয়। আজ রাতেও এ বিষয় নিয়ে তর্কাতর্কি শুরু হয়। একপর্যায়ে স্ত্রীর বড় বোন সোনিয়া, তাঁর স্বামী কাউছার এবং শ্যালক মুজাহিদ মিলে মোহাম্মদকে মারধর করেন। পরে মোহাম্মদের পিঠে কাউছার কয়েকবার ছুরিকাঘাত করে পালিয়ে যান।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক জানান, যুবকের পিঠে কয়েকটি ছুরিকাঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনার বিষয়ে কামরাঙ্গীরচর থানাকে অবহিত করা হয়েছে এবং পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে।