হোম > সারা দেশ > ঢাকা

মুছাব্বির হত্যা: শুটার রহিম ৫ দিনের রিমান্ডে

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎

স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা আজিজুর রহমান মুছাব্বির। ফাইল ছবি

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা আজিজুর রহমান মুছাব্বিরকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় শুটার মো. রহিমকে (৪৫) পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুর রহমান এ নির্দেশ দেন।

এর আগে রহিমকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক মোহাম্মদ আমিনুল ইসলাম সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত পাঁচ দিন রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

রিমান্ড আবেদনে বলা হয়েছে, আসামি রহিম স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মুছাব্বিরকে হত্যার সঙ্গে সরাসরি জড়িত। মামলার তদন্তে গ্রেপ্তার আসামি শুটার জিন্নাত আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। জবানবন্দিতে জিন্নাত বলেছেন, আসামি রহিম গুলি করেছেন মুছাব্বিরকে। ভিডিও ফুটেজ পর্যালোচনায়ও এ ঘটনার সত্যতা পাওয়া যায়। মামলার মূল রহস্য উদ্‌ঘাটন, ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্র-গুলি উদ্ধার, মূল হোতা চিহ্নিতকরণ, ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের শনাক্তকরণসহ ঘটনায় ব্যবহৃত আর্থিক লেনদেনের উৎস শনাক্তের জন্য আসামিকে সাত দিনের পুলিশি রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।

এর আগে গত ২৩ জানুয়ারি রহিমকে নরসিংদী থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরে নরসিংদীর অস্ত্র মামলায় তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ৭ জানুয়ারি রাত ৮টা ১০ মিনিটের দিকে তেজতুরী বাজার এলাকায় বন্ধুদের সঙ্গে আড্ডা শেষে বাসার উদ্দেশে রওনা দেন মুছাব্বির। এর ১০ মিনিট পর আহছানউল্লাহ ইনস্টিটিউটের সামনে চার থেকে পাঁচজন তাঁর গতি রোধ করে গুলি করেন। গুলিতে মুছাব্বির মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। তাঁর সঙ্গে থাকা সুফিয়ান ব্যাপারী মাসুদ তাঁকে বাঁচাতে এগিয়ে এলে তাঁকেও গুলি করা হয়। হামলাকারী ব্যক্তিরা তাঁদের মৃত ভেবে পালিয়ে যান। পরে আশপাশের লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মুছাব্বিরকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় গত ৭ জানুয়ারি মুছাব্বিরের স্ত্রী সুরাইয়া বেগম বাদী হয়ে তেজগাঁও থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।

মামলার পর গত ১০ জানুয়ারি ঢাকা, গাজীপুর, মানিকগঞ্জ, ময়মনসিংহ ও নেত্রকোনা জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে দুই শুটারের একজন জিন্নাত, মূল সমন্বয়কারী মো. বিল্লাল, ঘটনার পর আসামিদের আত্মগোপনে সহায়তাকারী আব্দুল কাদির এবং ঘটনার আগের দিন ঘটনাস্থল রেকি করা মো. রিয়াজকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। পরে তাঁদের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। বর্তমানে তাঁরা কারাগারে রয়েছেন। তাঁদের মধ্যে জিন্নাত স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়ে ঘটনার দায় স্বীকার করেছেন।

এবার প্রতারণার মামলায় গ্রেপ্তার তৌহিদ আফ্রিদি

আষাঢ়ের প্রথম দিন, আজ বর্ষা উৎসব

শাহবাগে যত্রতত্র ময়লা ফেলা বন্ধে প্রতিমন্ত্রীর ঝটিকা অভিযান

কাল বর্ষাবরণ উৎসব হবে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে

অভিনেত্রী ঝিলিকের রহস্যজনক মৃত্যু: রিমান্ড শেষে কারাগারে স্বামী

‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ পলাশকে গুলির ঘটনায় গ্রেপ্তার ব্যক্তি রিমান্ডে

বুড়িগঙ্গায় ভাসছিল যুবকের লাশ, সঙ্গে জাবি শিক্ষার্থী দীপের আইডি কার্ড

আবুল বারকাত এবার গ্রেপ্তার হত্যা মামলায়

মাদ্রাসার সাইনবোর্ড টানাতে গিয়ে বিদ্যুতায়িত, দগ্ধ ২ ছাত্র ও শিক্ষক

ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানে হামলা, চাঁদাবাজি ও নেটওয়ার্ক দখলকারীদের শাস্তির দাবি আইএসপিএবির