রাজধানীর রামপুরায় ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ হিসেবে পরিচিত ইয়াসিন খান পলাশ ওরফে ‘কাইল্যা পলাশকে’ গুলির ঘটনায় মারুফ সুলতান ওরফে ফেরদৌস (৩৭) নামের আরও একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গতকাল রোববার হাতিরঝিল থানার উত্তর নয়াটোলা এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করে র্যাব-৩।
আজ সোমবার র্যাব-৩ থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গতকাল হাতিরঝিল থানার উত্তর নয়াটোলা চেয়ারম্যান গলি এলাকার একটি বাসায় অভিযান চালিয়ে মারুফ সুলতানকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁর বাড়ি মৌলভীবাজার জেলায়।
র্যাব জানায়, এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে পলাশ ও অভিযুক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। এর জেরে গত শুক্রবার (১২ জুন) জুমার নামাজ শেষে বাড়ি ফেরার পথে পশ্চিম রামপুরার বিটিভি ভবনের বিপরীতে লাবিবা ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের সামনে পলাশকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। এতে তিনি মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। পরে তাঁর ছেলে ইউসুফ খান পলক ও স্থানীয় লোকজন তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে রামপুরার ডেল্টা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখান থেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়।
এ ঘটনায় গত শনিবার (১৩ জুন) হাতিরঝিল থানায় একটি মামলা করা হয়। তদন্তে প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত, প্রত্যক্ষদর্শীদের বক্তব্য ও তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মারুফ সুলতানকে শনাক্ত করে গ্রেপ্তার করা হয় বলে জানিয়েছে র্যাব।
র্যাবের দাবি, গ্রেপ্তার ব্যক্তি ওই হামলায় সরাসরি জড়িত। ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
এর আগে, গত শনিবার রাজধানীর বাড্ডা এলাকা থেকে মো. ইমাম হোসেন নামের একজনকে গ্রেপ্তার করে হাতিরঝিল থানা-পুলিশ। এ সময় ঘটনায় ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়। পরে গতকাল তাঁকে আদালতে হাজির করে রিমান্ড আবেদন করা হলে আদালত ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।