হোম > সারা দেশ > চট্টগ্রাম

শহর ছাড়ার আগে বাসা-বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে উন্নতমানের তালা ব্যবহারের অনুরোধ পুলিশের

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

পবিত্র ঈদুল ফিতর পালনে নিজ বাড়িতে যাওয়ার আগে নগরবাসীকে নিজ বাসা-বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে উন্নতমানের তালা ব্যবহার এবং ফাঁকা বাসায় নগদ অর্থ, স্বর্ণালংকার বা মূল্যবান সামগ্রী রেখে না যাওয়ার অনুরোধ করেছে নগর পুলিশ।

গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় বিশেষভাবে এই অনুরোধ করা হয়েছে।

ঈদের ছুটিতে প্রতিবছরই বন্দরনগরী চট্টগ্রাম জনশূন্য হয়ে পড়ে। বিভিন্ন বাসা-বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান থাকে বন্ধ। এই সুযোগে নগরের বিভিন্ন এলাকায় চুরি ও ডাকাতির চেষ্টা করে অপরাধী চক্রগুলো।

ঈদের ছুটি ঘিরে প্রতিবছরের মতো এবারও নগরে বিশেষ নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়েছে সিএমপি। সে সঙ্গে নগরবাসীর অনুপস্থিতিতে বাসা-বাড়ি ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের নিরাপত্তায় ১৯ দফার বিশেষ নির্দেশনা মেনে চলার অনুরোধ করা হয়েছে। পুলিশ বলেছে, পুলিশ ও জনগণের সম্মিলিত সচেতনতাই পারে একটি নিরাপদ এবং আনন্দময় ঈদ উপহার দিতে।

ভ্রমণের বিষয়েও সতর্কতা মেনে চলার পরামর্শ দিয়ে পুলিশ বলেছে, অজ্ঞান পার্টি ও মলম পার্টির তৎপরতা থেকে বাঁচতে অপরিচিত যাত্রীর দেওয়া খাবার বা পানীয় গ্রহণ থেকে বিরত থাকতে বলা হয়েছে। পাশাপাশি, ব্যক্তিগত গাড়ি নিয়ে বেপরোয়া গতিতে রাইডিং না করতেও অনুরোধ করেছে সিএমপি।

যেকোনো সন্দেহজনক কার্যকলাপ বা অপ্রীতিকর ঘটনার ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিক নিকটস্থ থানা অথবা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ বা সিএমপি কন্ট্রোল হটলাইন—০১৩২০-০৫৭৯৯৮; ০১৩২০-০৫৭৯৯৯ নম্বরে যোগাযোগের জন্য বলা হয়েছে।

চট্টগ্রামে আন্তজেলা ডাকাত দলের ৯ সদস্য গ্রেপ্তার

আনোয়ারায় মা-মেয়ের লাশ উদ্ধারের ঘটনায় মামলা, স্বামী গ্রেপ্তার

পটিয়ায় ৩ বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে নিহত ১, আহত অন্তত ১৫

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে নিয়ে ফেসবুক ইভেন্টে ‘ইন্টারেস্টেড’ ক্লিকে বরখাস্ত হলেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা

শাহ আমানতে নিরাপত্তাপ্রহরীর ঘুষিতে সুপারভাইজার আহত

আশায় বুক বেঁধেছে চট্টগ্রামের বিনোদনকেন্দ্রগুলো

চট্টগ্রামে মা ও শিশুসন্তানের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার, হত্যা দাবি পরিবারের

চসিকের ৩ সহস্রাধিক পরিচ্ছন্নতাকর্মী পেলেন প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার

চট্টগ্রামে বিশেষ অভিযানে ১৪ দিনে গ্রেপ্তার ৭০৫, উদ্ধার প্রায় ২ লাখ ইয়াবা

চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি আঞ্চলিক মহাসড়ক যেন মৃত্যুফাঁদ, ২ মাসেই প্রাণ গেছে ১০ জনের