হোম > আড্ডা

যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বব্যাপী আগ্রাসন

সম্পাদকীয়

যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমাদের বুদ্ধিজীবী, রাজনীতিবিদ, এনজিও, সিভিল সোসাইটি কোনো না কোনোভাবে লাভবান হয়ে থাকেন। এনজিও, সিভিল সোসাইটি তাদের অর্থেই পরিচালিত হয়। ফলে মার্কিনদের বিশ্বরাজনীতি নিয়ে কেউ কোনো কথা বলেন না। অথচ বলা উচিত। আমাদের সবারই দাবি তোলা উচিত মধ্যপ্রাচ্যের রাষ্ট্রগুলো থেকে বিদেশি সৈন্য সরিয়ে নেওয়ার। মধ্যপ্রাচ্যের রাষ্ট্রগুলোকে আর অত্যাচার না করার। তাদের নিজেদের মতো চলতে দেওয়া উচিত।

অনেক আগে থেকে যুক্তরাষ্ট্রের কারণে হাজার হাজার মানুষ উদ্বাস্তু হচ্ছে। পথে মারা যাচ্ছে। সক্ষম মানুষদের এসব হচ্ছে। কী নির্মম এসব ঘটনা! আমাদের উচিত, পৃথিবীর প্রতিটি রাজধানী থেকে দাবি তোলা। এটা বুদ্ধিবৃত্তিক আন্দোলন হতে পারে। সরকার এখানে না-ও আসতে পারে। কারণ, সরকারের অনেক কূটনৈতিক স্বার্থের প্রশ্ন থাকে। কিন্তু যারা স্বাধীন চিন্তা করে, প্রগতিশীল বুদ্ধিজীবী, সংগঠন, ব্যক্তি, সাংবাদিক—সবাই মিলে একটা স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল গঠন করা যেতে পারে।

যেই ট্রাইব্যুনাল যুক্তরাষ্ট্রকে যুদ্ধাপরাধী রাষ্ট্র হিসেবে ঘোষণা করবে। তারা সাধারণ মানুষের পক্ষে দাবি তুলবে। মধ্যপ্রাচ্য থেকে সৈন্য সরিয়ে নেওয়ার আহ্বান জানাবে।

যুক্তরাষ্ট্র যখন ভিয়েতনামে যুদ্ধ চালায়, তখন এমন আন্দোলন হয়েছে বছরের পর বছর ধরে। তখন বার্ট্রান্ড রাসেল একেবারে সামনে দাঁড়িয়ে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন। ইউরোপের সব বড় বুদ্ধিজীবী, সাহিত্যিক, বৈজ্ঞানিক, শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ এক হয়ে মানবসভ্যতার পক্ষে আওয়াজ তুলেছিলেন। পরে যুক্তরাষ্ট্রেও বড় বড় মিছিল হয়েছে। আন্দোলনের কারণে একসময় ভিয়েতনাম থেকে যুক্তরাষ্ট্র সৈন্য সরাতে বাধ্য হয়। এখনো দেশে দেশে রাজধানীগুলোয় এমন জঙ্গিবাদবিরোধী আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে।

তথ্যসূত্র: শারমিনুর নাহার কর্তৃক আবুল কাসেম ফজলুল হকের সাক্ষাৎকার গ্রহণ, ‘সময়, সমাজ ও রাজনীতির ভাষ্য নিয়ে সাক্ষাৎকার সমগ্র’, পৃষ্ঠা-৫৫-৫৬

আলতামিরার গুহাচিত্র

সিমোনের নারীবাদী ভাবনা

যেভাবে এল এপ্রিল ফুল: নেপথ্যের রহস্যময় ইতিহাস

পাকিস্তানিদের ষড়যন্ত্র

আবু ওসমান চৌধুরী

নাজমুল হক

মুক্তিযুদ্ধের প্রথম দিককার প্রস্তুতি পর্ব

এ টি এম হায়দার

মতিউর রহমান

আহমদ রফিক